মঙ্গলবার , ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া সংবাদ
  6. আমাদের সম্পর্কে
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-প্রকল্প
  9. একুশে বইমেলা
  10. কৃষি ও প্রকৃতি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. চট্টগ্রাম

অস্তিত্বহীন মাদ্রাসার উন্নয়নের নামে ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

প্রতিবেদক
admin
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪ ৫:০৩ অপরাহ্ণ

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

শুধু মাঠ আছে, নেই কোনো অবকাঠামো। নেই শিক্ষক-কর্মচারি কিংবা শিক্ষার্থী। জেলার মান্দা থানার ভারশোঁ ইউনিয়নের বিলউথরাইল পশ্চিমপাড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এ বিশাল ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করেছে কথিত মাদ্রাসা কমিটি। অস্তিত্বহীন সেই মাদ্রাসার উন্নয়নের নামে আগামী শুক্রবার (১মার্চ) আয়োজন করা হয়েছে বিশাল ওয়াজ মাহফিলের । এ নিয়ে এলাকাবাসীর দুই পক্ষে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো মুহুর্তে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এমনকি সেই মাদ্রাসার কোন তথ্যই নেই উপজেলা শিক্ষা অফিসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম শেখ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার কয়েক ব্যক্তি অস্তিত্বহীন মাদ্রাসার উন্নয়নের নামে বিশাল ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করছে। ওয়াজ মাহফিলের খরচের পর অবশিষ্ট উপার্জিত অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। ধর্মীয় অনুভুতি কাজে লাগিয়ে নির্বিঘ্নে কাজটি করছেন তারা। এর আগে গত ২০১৮ সালের ৩ মার্চ ওই মাঠে বিশাল ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন আহত হন। সেই সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলা এখনো আদালতে বিচারাধীন আছে। বিলউথরাইল গ্রামের আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক ও ইমরান আলী বলেন, বিলউথরাইল গ্রামে ১৯৬৯ সালে একটি হেফজখানা চালু করা হয় এরপর ২০০৭ সালের দিকে সেখানে একটি দাখিল মাদ্রাসা স্থাপনের উদ্যোগ নেয় গ্রামের লোকজন। সে সময় হেফজখানার বিভিন্ন এলাকায় থাকা ৫৬ শতাংশ জমি বিক্রি করে দাখিল মাদ্রাসার জন্য গ্রামের পশ্চিমপাশে ৮০ শতাংশ অখন্ড জমি কেনা হয়। এরপর শুরু হয় মাদ্রাসার কার্যক্রম। নীতিমালার জটিলতায় ২০১২ সালে সেই মাদ্রাসার সকল কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলা হয়। এরপর মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারিরা বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হন। মাদ্রাসা বিলুপ্ত হওয়ার পর সেখানে আবারো হেফজখানা চালু করেন গ্রামবাসী। এসময় মাদ্রাসার অনুকুলে থাকা জমি হেফজখানার নামে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেন, টিনসেডের স্থাপনাটি একটি মক্তব। সকালে গ্রামের শিশুদের এখানে আরবি শেখানো হয়। এখানে দাখিল মাদ্রাসার কোনো অস্তিত্ব নেই। কতিপয় ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে মাদ্রাসার নাম ভাঙিয়ে বিশাল ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করছে। মাহফিল আয়োজক কমিটির সদস্য পরিচয়ে মিলন রানা নামের এক যুবক বলেন, গ্রামে এক সময় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। অস্তিত্বহীন মাদ্রাসার নামে বিশাল ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন বিষয়ে তিনি কথা বলতে রাজি হননি। মাদ্রাসা কমিটিতে কারা আছেন এ বিষয়েও তিনি কোনো কথা বলেননি। এবিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম শেখ বলেন, আমি এই উপজেলায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত এ নামের কোন মাদ্রাসা আছে বলে আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - অন্যান্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

অমিতাভ শ্রীদেবীকে এক লরি গোলাপ পাঠিয়েও রাজি করাতে পারেনি

আদমদীঘিতে অ-মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের অভিযোগ করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আদমদীঘিতে মৎস্য ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, আটক-২

জয়পুরহাটে কৃষি অফিসের উদ্যোগে বস্তায় আদা চাষ

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে বিয়ের অভিযোগ!

পত্নীতলায় দিনব্যাপী ক্যান্সার চিকিৎসা ও স্টেকহোল্ডারদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

শার্শায় মুখিকচু চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকের

১৩৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দরিদ্রবান্ধব ….খাদ্যমন্ত্রী

পলিপাড়া ভিক্টোরিয়া স্বপ্নের ঠিকানা সভাপতি সাজু, সম্পাদক হাবিবুর বাসার